Description
Radclife Line : Amar Mitra
Publisher : Dey’s Publishing
র্যাডক্লিফ লাইন : অমর মিত্র
সারাংশ : আতিকুজ্জামান তাঁর বসতবাটি বিনিময় করে সাতক্ষীরে চলে গিয়েছিলেন সপরিবারে। তাঁর হাঁটানো মেয়ে আঁখিতারা রয়ে গেল পুকুরপাড়ে অন্ধকারে একা। সে নিহত হয়েছিল ক’বছর আগে। এত বছর বাদে আতিকুজ্জামানের বাড়িটি ভাঙা হবে। আঁখিমঞ্জিল আর রাখবে না কেউ, তার গায়ে বিধর্মীর চিহ্ন। আতিকুজ্জামানের পুত্র রহিম সাতক্ষীরে থেকে ফিরে এসেছিল এপারে, সেদিন কবির মৃত্যু হয়েছিল। মৃত্যুর কয়েকমাস আগে, কবি জীবনানন্দ দাশ চিঠি লিখেছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের রংপুর জেলার এক কবিকে, তাঁর খুব বরিশাল যেতে ইচ্ছে করে, কিন্তু পাসপোর্ট করে ভিসা নিয়ে বরিশাল যাওয়ার সামর্থ্য তাঁর নেই। পাকিস্তানের জন্ম এক সুর সাধিকার কণ্ঠ হতে সুর কেড়ে নিয়েছিল। আব্বাস উদ্দীনের কাছে গান শিখতেন হেমলতা, তাঁদের দ্বৈতকণ্ঠের রেকর্ড ছিল ভাওয়াইয়া গানের। দেশভাগ হতে আব্বাস উদ্দীন চলে গেলেন পূর্ব পাকিস্তানে, হেমলতা সুর পরিত্যাগ করলেন। আর গান গাননি। আকাশবাণীর ডাকেও সাড়া দেননি। র্যাডক্লিফ লাইন এক বিধ্বংসী সীমান্তরেখা, যা হিন্দু-মুসলমানের সর্বনাশ ঘটিয়েছিল। এখনো ঘটিয়ে চলেছে। এই উপন্যাস সেই সীমান্তরেখার ভয়ানক অভিঘাত। ১৯৪৭-এর পর থেকে বহমান এই সময়ের কাহিনি রচনা করেছেন লেখক, সেখানে সময় যেন বদলায় না, উচ্ছিন্ন মানুষের সংখ্যা বেড়েই যায়। এখনো, এই ৭৫ বছর পরেও মানুষের উচ্ছেদ শেষ হয়নি। সুন্দরবনের বনদেবী থেকে ৮০ বছর আগে নিহত আঁখিতারা, সকলের উচ্ছিন্ন-অভিযাত্রা এই জাদু কাহিনির পরতে পরতে। উপন্যাসটি সুখপাঠ ওয়েবজিনে ‘মিলন হবে কতদিনে’ নামে ধারাবাহিক প্রকাশিত হয়েছিল।
Reviews
There are no reviews yet.